ARI SOCIAL
WELFARE FOUNDATION – এর লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য
⦁ ARI Social Welfare Foundation - এলাকার সচেতন নাগরিক, তরুণ ও যুবক সম্প্রদায়ের মাধ্যমে অত্র এলাকার আর্থ সামাজিক অবস্থার কাঙ্খিত পরিবর্তন আত্মনির্ভরশীল সুখী ও সমৃদ্ধশালী অবক্ষয়মুক্ত সমাজ গঠন করা|
⦁ বিশেষ করে পিছিয়ে পড়া এবং সুবিধা বঞ্চিত মানুষের পাশে দাড়ানো আধুনিক ও ইসলাম ভিক্তিক শিক্ষার জন্য সচেতনতা সৃষ্টি করা৷ বিভিন্ন প্রশিক্ষনের মাধ্যমে বেকার যুবকদের কর্মমুখী করে তোলা৷ শিশুদের মাঝে প্রতিভা প্রকাশে অনুপ্রেরণা যোগানো এবং এলাকার অন্যায় কাজকে প্রতিহত করার কাজে সহযোগিতা করাই এই সংগঠনের মুল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যে!! ইহা সম্পন্ন অরাজনৈতিক,সামাজিক উন্নয়নমুলক সাংস্কৃতিক ও সেচ্ছায় মানব সেবার সংগঠন৷
⦁ এই সংগঠন অত্র এলাকার তরুন ও যুবকদের নিয়ে গঠিত এবং সর্ব শ্রেণির উন্নয়নের জন্য কার্যক্রম পরিচালনা করবে!!
কিভাবে জীবনের লক্ষ্য ঠিক করবেন
ছোটবেলায় যখন আমাদের জিজ্ঞেস করা হয়, তুমি বড় হয়ে কি হতে চাও তখন কত রকমের উত্তরই আমরা দিয়ে থাকি। কত রকমের স্বপ্নই আমদের থাকে। কিন্তু বড় হওয়ার পর সেই রঙ্গিন স্বপ্নগুলো আস্তে আস্তে হারিয়ে যেতে থাকে।স্বপ্ন গুলো হঠাৎ করে হারিয়ে যাওয়ার কারণ কি আমরা জানি!! আমরা হয়ত অনেকেই কারণটা জানিনা।স্বপ্নগুলো হারিয়ে যাওয়ার অন্যতম প্রধান কারণ হল, আমাদের জীবনের লক্ষ্যই আগে থেকে ঠিক করাথাকেনা।লক্ষ্যহীন জীবনে যতই স্বপ্ন থাকুক না কেন, সেই স্বপ্ন শুধু স্বপ্নই থেকে যায়। বাস্তবায়িত হয় না কোনদিন।
আবার, আমাদের মধ্যে এমন অনেকেই আছেন, এটাই ভেবে যান যে, আমার জীবনে একটা লক্ষ্য ঠিক করতে হবে। কিন্তু লক্ষ্য আর ঠিক করে উঠা হয় না।লক্ষ্য ঠিক করতে করতে জীবনের অনেকটা সময় পার হয়ে যায়, বাস্তবায়ন আর করা হয় না।
তবে দেরি কেন?? আজই ঠিক করে ফেলুন আপনার জীবনের লক্ষ্য। আপনার জীবনের লক্ষ্য ঠিক করে সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়ার জন্য দেয়া কিছু পরামর্শ :
স্বপ্ন দেখুনঃ
প্রত্যেকটা মানুষের কোনও না কোনও আগ্রহের বিষয় থাকে। সবার প্রথম এ খুঁজে বের করুন আপনার আগ্রহের বিষয়। যে বিষয়ে আপনার আগ্রহ বেশি, আপনি নিশ্চিত ভাবে সেই দিকে গেলে জীবনে ভালো করতে পারবেন। কারণ, ভালো লাগার বিষয় নিয়ে পড়তে, চিন্তা করতে, কাজ করতে সবারই ভালো লাগে। আর এটি নিয়ে বেশি বেশি স্বপ্ন দেখুন।স্বপ্ন সত্যি করার আগে স্বপ্ন দেখতেহবে।
এ পি জে আবুল কালাম বলেছেনঃ
“ওটা স্বপ্ন নয় যেটা তুমি ঘুমিয়ে দেখ, স্বপ্ন তা-ই যা তোমাকে ঘুমোতে দেয় না”
সময় দিনঃ
রাতারাতি কি কিছু করা সম্ভব?? অবশ্যই না। কোন নির্দিষ্ট দিকে আপনি যেতে চান বা আপনার আগ্রহের বিষয় আসলে কি, সেটা কিন্তু আপনি কখনই রাতারাতি বুঝতে পারবেন না। তার জন্য আপনাকে যথেষ্ট পরিমান সময় দিতে হবে আপনার ভালো লাগার কাজ গুলোর জন্য। আর এভাবেই আপনি আস্তে আস্তে আপনার জীবনের লক্ষ্য পেয়ে যাবেন।
সংক্ষিপ্ত তালিকা ও অগ্রাধিকার
অনেকের জীবনে একের অধিক লক্ষ্য থাকে।কিন্তু সব গুলো লক্ষ্য বাস্তবায়ন করা হয়ত সম্ভব হয়ে উঠেনা। তাই যে বিষয় গুলো সব চেয়ে বেশি আকৃষ্ট করে সেগুলোর তালিকা তৈরি করতে হবে। তারপর সব দিক বিবেচনা করে নির্দিষ্ট একটিকে অগ্রধিকার দিতে হবে আর নিজের লক্ষ্য র দিকে এগিয়ে যেতে হবে।
নিজের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে তুলুন
আমি পারবই ।। আমাকে পারতেই হবে ।। নিজের মধ্যে এই বিশ্বাস টা গড়ে তুলতে হবে। নিজের আত্মবিশ্বাস ই নিজেকে নিজের লক্ষ্য র দিকে এগিয়ে নিয়ে যায়। নিজের মধ্যে আত্মবিশ্বাস থাকলে লক্ষ্য নির্বাচন থেকে শুরু করে স্বপ্ন সব ই সম্ভব। আপনার সামর্থ্য কতটুকু?? আপনি কতটুকু করতে পারবেন??এগুলা ভেবে সময় নষ্ট না করার চেয়ে, আপনি পারবেন এটা ভাবলেই আপনার অর্ধেক কাজ হয়ে যাবে।
বাস্তববাদী হওয়ার চেষ্টা করুন
আপনি যত বাস্তববাদী হবেন, জীবনে লক্ষ্য ঠিক করে সফলতা অর্জন তত তারাতারি করতে পারবেন। দেখা গেল, আপনার এমন কোন বিষয়ে আগ্রহ, যে বিষয়ের বর্তমানের কোন মূল্যই নেই। এমন লক্ষের দিকে এগিয়ে যাওয়া টা বোকামি। তাই বাস্তববাদী হয়ে সব দিক বিবেচনা করে লক্ষ্য বিবেচনা করুন।
জীবনে লক্ষ্য ঠিক করতে যেয়ে যে কাজগুলো একদম ই করা যাবেনা??
নিজের উপর কখনই বিশ্বাস হারিয়ে ফেলা যাবেনা। জীবনে নানা বাধাবিপত্তি আসতেই পারে। তার মানে এটা না যে, আপনি ভাববেন আপনাকে দিয়ে কিছু হবেনা। আপনাকে এটা মাথা তে রাখতে হবে, আপনি ই পারবেন। আপনি না পারলে কেউ পারবেনা।
মাথা গরম করলে চলবে না। জানেন তো ?? রেগে গেলেন তো হেরে গেলেন। তাই যতটা সম্ভব মাথা ঠাণ্ডা করে যে কোন কাজ করতে হবে। আপনি সফল হবেন ই।
নিজের আত্মবিশ্বাস বাড়ান, বাস্তববাদী হয়ে উঠুন আর আজই ঠিক করে ফেলুন আপনার জীবনের লক্ষ্য।
ধন্যবাদ ভাল থাকবেন। আল্লাহ হাফেজ ।

No comments:
Post a Comment